Translate

Sunday, June 4, 2017

আরব আবিশ্বাসীর বিশ্বাস।

আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি না! আমি কুরআন বিশ্বাস করি না। সেই সাথে আমি কেয়ামতকেও বিশ্বাস করি না।
.
কুরআন কল্পিত জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে, জীবনটাকে সংকীর্ণ করে ফেলাই কুরআনের কাজ! জীবন একটাই। জীবনকে উপভোগ করতে হবে। যদিও আমি জন্মসূত্রে মুসলিম। কিন্তু কোন কল্পিত জাহান্নামের ভয়ে জীবনকে জেলখানায় আবদ্ধ করতে চাই না। তাই আমি কুরআন পড়ি না এবং বিশ্বাসও করি না।
.
বাগদাদ ইউনিভার্সিটির আরবী বিষয়ক শিক্ষক তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে এই কথাগুলো বললেন। তখন ক্লাসে উপস্থিত এক ছাত্র বললেন, স্যার! আপনি কুরআনের ভুল এবং অসংগতি গুলো নিয়ে একটি বই লিখুন! আপনার লেখা বইটি হবে সবচেয়ে আকর্ষনীয় এবং মূল্যবান বই। কারণ, এই প্রথম কোন আরবীয় মুসলিম কুরআনের বিরুদ্ধে কলম ধরতে যাচ্ছে। সেই স্যার ভাবলেন তাই তো! তিনি বই লেখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন।
.
এর আগে তিনি আরব ঐতিহ্যের উপর ব্যাপক গবেষণা চালান। সেই গবেষণার কারণে তাকে প্রাচীন আরবের বহু বই পড়তে হয়েছে! কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে তিনি ভুল করেও কুরআন পড়ার চেষ্টা করেন নি। তিনি The prophethood of Muhammad (saws): my journey from doubt to conviction ( মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নবুয়ত: সন্দেহ থেকে দৃঢ় বিশ্বাসের পথে যাত্রা) এই শিরোনামে বই লিখতে শুরু করেন)।
.
বইটি লেখার জন্য তাকে এই প্রথম কুরআন হাতে তুলে নিতে হল! ৩০ পারা কুরআন পড়ার পর তিনি ঘোষনা দিলেন, এটি মানুষের লেখা কোন কিতাব হতে পারে না!
 এরপর তিনি কুরআনের সৌন্দর্য এবং মহত্ব নিয়ে একাধারে ১৮ টি বই লিখেন!
এক সময়ে প্রচন্ড ইসলাম বিরোধী সেই ব্যক্তি এখন আরবের জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব এবং টিভি আলোচক। সেই আলোচিত ব্যক্তিটির নাম  Dr.Fadel Saleh Sameree ।
.
আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।  কুরআন পড়তে গিয়ে বার বার অবাক হয়ে যাই। মনে হয়ে, এই কিতাব যেন আমার মনের বিক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবার জন্যই লেখা হয়েছে। মনের হতাশা দূর করার জন্য আমরা কত জায়গায় না দৌড়াই! কখনো ডাক্তারের শরণাপন্ন  হই। কিন্তু সমাধান আমার আপনার ঘরেই আছে তা খুলে দেখুন।
শতাব্দীর অগ্রদূত সাইয়্যেদ আবুল আ'লা মওদূদী বলেন"এটা নফসের দাস ও দুনিয়ার গোলামদের জন্য নাযিল হয়নি।
বাতাসের বেগে উড়ে খড়কুটো,পানির স্রোতে ভেসে চলা কীট-পতঙ্গ এবং প্রতি রংঙে রঙ্গিন হওয়া রংহীনদের জন্য অবতীর্ণ হয়নি।
এমন এক দুঃসাহসী নরশার্দুলদের জন্য নাযিল হয়েছে;
যারা বাতাসের গতিকে বদলে দেবার দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করে।যারা নদীর তরঙ্গের সাথে লড়তে এবং তার স্রোতধারা ঘুরিয়ে দেবার মত সৎসাহস  রাখে।

No comments:

Post a Comment

ইতিহাস

কনস্টান্টিনোপল বিজয়

"কনস্টান্টিনোপল বিজয়" আজ ২৯ শে মে। ১৪৫৩ সালের এই দিনে ইস্তাম্বুল বিজয়ের দ্বারা রাসুলাল্লাহ (সা) এর ভবিষ্যৎবাণী সত্য প্রমাণ করেন...

জনপ্রিয় পোস্ট